উপকূলীয় জেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন আশ্রয়কেন্দ্র, শুকনা খাবার ও জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রস্তুত রেখেছে। ঝুঁকিপূর্ণ চরাঞ্চল ও নদীপাড়ের মানুষকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রতিটি ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবক দল মাঠে রয়েছে। মাইকিং, মোবাইল বার্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সতর্কতা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগাম প্রস্তুতি ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর পথ। শিশু, বয়স্ক ও �
সুস্থ ব্যক্তিদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।