বারুইপুরের বহুচর্চিত ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাষ মণ্ডল পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাষ মণ্ডলকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেই সময় সে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রথমে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু সে পালানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখায় পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রভাষকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
ঘটনার পর গোটা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। এনকাউন্টারের সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০০৯ কল্যাণী ফেক এনকাউন্টার,১৯৯৭ সালের একটি ভুয়ো এনকাউন্টার মামলায় নদীয়ার কল্যাণী ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বেঙ্গল পুলিশের দুই অফিসারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
২০২১ নিউ টাউন এনকাউন্টার, ৯ জুন, ২০২১ সালে কলকাতার নিউ টাউনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) ও পাঞ্জাবের দুই গ্যাংস্টারের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। এতে জয়পাল ভুল্লার এবং জসপ্রীত সিং নামের দুই গ্যাংস্টার নিহত হন।
২০২৫,উত্তর দিনাজপুর এনকাউন্টার,১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ সালে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখরে পুলিশের গুলিতে সাজ্জাক আলম নামে এক অভিযুক্ত নিহত হন। পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর পর তার গুলিতে দুই পুলিশ কর্মী আহত হলে, পুলিশের পাল্টা গুলিতে তিনি মারা যান।
এবং এরপরই ২০২৬ বারুইপুর ঘটনা ৮ জুলাই, ২০২৬-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল কে পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারালো।
(এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য পুলিশ সূত্রের প্রাথমিক দাবি ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং সরকারি বিবৃতি বা তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এলে তা অনুযায়ী প্রতিবেদন আপডেট করা হবে।)