টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-এর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-র সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হলেও, সেই জল্পনায় নিজেই ইতি টানলেন অভিনেতা। সাক্ষাৎ শেষে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এটি শুধুমাত্র একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ, এর সঙ্গে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই।
প্রসেনজিৎ বলেন, “এই মুহূর্তে কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা আমার নেই। ভবিষ্যতে যদি কখনও এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিই, তাহলে প্রথমেই সংবাদমাধ্যমকে জানাব।” তাঁর এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক জল্পনা অনেকটাই স্তিমিত হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
অভিনেতা জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলোচনার মূল বিষয় ছিল বাংলার চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন, টলিউডের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা। চলচ্চিত্র শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে সরকার ও শিল্পী মহলের যৌথ উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথাও আলোচনায় উঠে এসেছে বলে তিনি জানান।
এছাড়াও, বাংলার কিংবদন্তি অভিনেতা মহানায়ক উত্তম কুমার-এর জন্মজয়ন্তী আগামী দিনে আরও বৃহৎ পরিসরে এবং মর্যাদার সঙ্গে উদ্যাপনের প্রস্তাবও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন প্রসেনজিৎ। তাঁর মতে, বাংলা চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নবান্নে এই সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক ব্যাখ্যার পরিবর্তে সাংস্কৃতিক ও চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নকেই প্রাধান্য দিতে চেয়েছেন প্রসেনজিৎ। ফলে আপাতত তাঁর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনার অবসান ঘটেছে।