উত্তরপ্রদেশের পিলিভিট জেলায় এক বিবাহিত মহিলাকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, স্বামীর ভাতিজা একতরফাভাবে ওই মহিলাকে ভালোবাসত। বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর সুযোগ বুঝে বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মহিলার মৃত্যু হয়। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি পিলিভিটের কোটওয়ালি এলাকার আশরফ খান মহল্লার। শনিবার দুপুরে মহিলার স্বামী বাইরে কাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে সাত মাসের শিশুকে নিয়ে একাই ছিলেন ৩০ বছরের নিশা পারভিন। সেই সুযোগে অভিযুক্ত শোয়েব ওরফে মনিশ বাড়িতে ঢুকে পড়ে।
অভিযোগ, দু'জনের মধ্যে কথা কাটাকাটির সময় শোয়েব ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। বিশেষ করে পেটে গভীর আঘাত লাগায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শোয়েব দিল্লিতে কাজ করত। মহরম উপলক্ষে কয়েকদিনের জন্য বাড়ি ফিরেছিল। ঘটনার আগে তাকে এলাকায় ঘোরাফেরা করতেও দেখা যায় বলে স্থানীয়দের দাবি।
প্রাথমিক জেরায় পুলিশ জানতে পেরেছে, শোয়েব দীর্ঘদিন ধরে নিশাকে একতরফাভাবে ভালোবাসত। তাকে নিজের করে পাওয়ার চেষ্টা করলেও বারবার ব্যর্থ হয়। সেই ক্ষোভ ও আবেগ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে পুলিশের অনুমান।
উল্লেখ্য, নিহত নিশা পারভিনের বাড়ি বেরেলিতে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। এই ঘটনায় পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। যদিও একতরফা প্রেমের কারণটি এখনও পরিবারের অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছেন না।
পুলিশ অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জাতীয়
স্বামী বাড়িতে ছিলেন না, ৭ মাসের শিশুর সামনে গৃহবধূকে নৃশংসভাবে খুন! একতরফা প্রেমে অভিযুক্ত স্বামীর ভাইপো গ্রেফতার
উত্তরপ্রদেশের পিলিভিটে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড। বাড়িতে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু। পুলিশের জেরায় উঠে এসেছে একতরফা প্রেমের অভিযোগ।