আপনাদের নতুন দলের নাম কি? আচমকাই রাজ্যের নতুন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত প্রশ্নটা করে বসেন বিধানসভার স্পিকার স্বীকৃত বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রাথমিকভাবে প্রশ্নটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেক্সপিয়রকে উদ্ধৃত করে ঋতব্রত'র উত্তর "নামে কি আসে যায়?"
একদিকে যখন সংসদে অজানা দল এনসিপিআই-এর উত্থান তখন বিধানসভায় জোড়া ফুলের "বিদ্রোহী" ব্লকের নতুন রাজনৈতিক গন্তব্য কি? রাজনৈতিক পালাবদলের পর রাজ্য বিধানসভায় প্রথম সর্বদল বৈঠক ও বিএ কমিটির (কার্যনির্বাহী কমিটি) বৈঠকে এনিয়ে কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। যদিও আপাতত কোনও দল নয়, বিধানসভায় একটি নির্দিষ্ট ব্লকেই বসবেন তৃণমূলের "বিদ্রোহী"-রা। অবশ্য মূল তৃণমূল বিধায়করা এদিনের বৈঠকে ডাক পাননি।বরং ঋতব্রত বলছেন "গত ১৫ বছরে বিধানসভা অধিবেশনের কাজের নিরিখে সবচেয়ে পিছনের সারিতে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা। সেই ট্র্যাডিশন ভেঙে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করতে ইতিবাচক ভুমিকা পালন করা হবে।"
তবে এদিনও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরা এখনও প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে পেতে চাইছেন।
এদিন বিধানসভার বিএ কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন বিধানসভার বাদল অধিবেশন দুটি পর্বে হবে। প্রথম পর্ব ১৮ জুন থেকে ২৫ জুন এবং দ্বিতীয় পর্ব ৬ জুলাই থেকে থেকে শুরু হবে। তবে প্রথম পর্বের অধিবেশনে কোন প্রশ্নোত্তর পর্ব হবে না। আগামী ১৮ জুন সকল ১১ টায় রাজ্যপালের ভাষণের মাধ্যমে বাদল অধিবেশন শুরু হবে। রাজ্যপালের ভাষণ শেষে তার ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন বিধানসভা অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। পরদিন অর্থাৎ ১৯ জুন শোক প্রস্তাব পাঠ হবে বিধানসভায়।২২ জুন রাজ্য বাজেট পেশ করা হবে। ২৩ জুন দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব ও উল্লেখ পর্ব শেষে রাজ্যপালের ভাষণের উপর আলোচনার জন্য ৬ ঘন্টা সময় ধার্য করা হয়েছে।
রাজ্যপালের ভাষণের ২৩ ২৪ জুন দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাব ও উল্লেখ-পর্ব সহ বাজেট আলোচনা হবে। ২৫ জুন দফাওয়াড়ি বাজেট আলোচনা হবে।