সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তে পূর্ণ অসহযোগিতার অভিযোগ উঠল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা ভবানীভবনে জেরা চললেও, সিআইডি-র তদন্তকারীদের একটি প্রশ্নেরও সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তদন্ত প্রক্রিয়ায় তাঁর এই এড়ানোর প্রবণতাকে ভালোভাবে নেয়নি সিআইডি। যার ফলে, ১৪ জুন দুপুর ১২টায় তাঁকে পুনরায় হাজিরা দেওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, মামলার অন্যতম প্রধান নথি—সেই আলোচিত 'রেজোলিউশন' কপি নিয়ে অভিষেককে বারবার প্রশ্ন করা হলেও তিনি রহস্যজনকভাবে নীরব ছিলেন। অধিকাংশ প্রশ্নের উত্তরেই তিনি ‘জানি না’, ‘বলতে পারব না’ বা ‘সম্ভব নয়’ বলে দায় এড়িয়ে গেছেন। সিআইডি-র কর্মকর্তাদের দাবি, অভিষেক তদন্তে সহযোগিতা করার বদলে তথ্য গোপন করছেন এবং বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।
হাইকোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর বাধ্য হয়ে হাজিরা দিলেও, অভিষেক তদন্তের কোনো গুরুত্বপূর্ণ মোড় খোলার ক্ষেত্রে সাহায্য করেননি। জেরার সময় কর্মকর্তাদের পাল্টা জেরার মুখেও অভিষেক কার্যত ‘স্পিকটি নট’ থেকেছেন। জেরা শেষে বের হওয়ার সময়ও সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি যে আচরণ করেছেন, তাতে অসহযোগিতার বিষয়টিই আরও স্পষ্ট হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আদালতের নির্দেশে হাজিরা দিতে হলেও, অভিষেক কৌশলে তদন্তের গতিপথ আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এখন দেখার বিষয়, ১৪ তারিখের পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদের পর্বে তিনি নিজের অবস্থান বদলান নাকি অসহযোগিতার পথেই অটল থাকেন।
কলকাতা
তদন্তে অসহযোগিতা অভিষেকের !! ফের তলব সিআইডি-র!!
তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে ফের তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল সিআইডি। নির্ধারিত সময়ে হাজিরা ও তদন্তে সহযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নতুন করে নোটিশ জারি করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা, যদিও তৃণমূলের দাবি, বিরোধীদের চাপে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।