তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র-যুব সংগঠনের মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। হাজরা মোড়ে মিছিল শেষে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, আদালতের শর্ত মেনেই ছাত্র-যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই মিছিলে বিজেপি সমর্থকরা হামলা চালায়। তাঁর দাবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, "যারা রামের টাকা চুরি করে, তারা আবার বড় বড় কথা বলে। আদালতের নির্দেশ মেনেই মিছিল হচ্ছিল। তারপরও হামলা হয়েছে। এভাবে বিরোধীদের রাস্তায় নামতে বাধা দেওয়া গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত উদ্বেগজনক।"
তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে সভা-মিছিল করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি অনুমতি থাকা সত্ত্বেও মাইক কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর কথায়, "এভাবে জোর করে বিরোধীদের মুখ বন্ধ করা যাবে না। গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।"
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ধর্ষণের মতো ঘটনায় পুলিশ যথাযথ ভূমিকা পালন করছে না এবং প্রশাসন নিয়ম মেনে কাজ করছে না। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, তাঁর বাড়ির আশপাশেও সারাক্ষণ পুলিশি নজরদারি চলছে।
তিনি আরও বলেন, বিজেপি সমর্থকদের হামলার সময় পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তবে এই ধরনের ঘটনার মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন তিনি।
এদিকে, ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
(দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগগুলি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত। অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।